• আন্তর্জাতিক

    আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে আলোচনা সভা

      প্রতিনিধি ১ অক্টোবর ২০২৩ , ৩:৩৪:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ

    নীলফামারী প্রতিনিধি:

    সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায় ব্যক্ত অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রবীণ ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষা প্রজন্ম থেকে দায়বদ্ধতা” এই প্রতিপ্রাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে ৩৩তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আলোচনা সভা হয়েছে।
    ১ অক্টোবর ২০২৩ রবিবার সকাল ১১টায় নীলফামারী জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ, নীলফামারী জেলার আয়োজনে প্রবীণ হিতৈষী সংঘ কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে ৩৩তম প্রবীণ দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আলোচনা সভা হয়।

    সভায় প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সাবেক সহ-সভাপতি মো: মোঃ আনোয়ারুল ওয়ারেছ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সরকার মোহাম্মদ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, জেলা সিভিল সার্জেন্ট ডা. মোঃ হাসিবুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি প্রকৌশলী এস এম সফিকুল আলম ডাবলু, মশিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সারোয়ার মানিক, জেলা সমাজসেবার সহকারী পরিচালক নুসরাত ফাতেমা, জেলা প্রবেশন অফিসার মো: ফরহাদ হোসেন, শহর সমাজসেবা অফিসার হৃদয় হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো: ফিরোজ সরকার প্রমুখ।

    এ সময় বক্তারা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবীনদের একটা আলাদা সম্মান ও সুযোগ দেওয়া হয়। সেই সুযোগ যেনো আমাদের দেশের প্রবীনদের প্রদান করা হয়। বর্তমান সরকার প্রবীনদের জন্য বয়স্ক ভাতা সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। প্রবীনদের মতামত আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবীন বান্ধব সরকার তাই প্রবীনদের সমাজে সিনিয়র সিটিজেনের সম্নান রাখতে কাজ করতেছে। প্রবীনদের শেষ বয়সে যেনো তাদের অসহায় জীবনযাপন কাটাতে না হয় তার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকার পিতা মাতার ভরণপোষণ আইন নিয়ে কাজ করছে। দেশকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে হলে সবাইকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে।

    প্রবীণ হিতৈষী সংঘের নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবীণ হিতৈষী সংঘের কেন্দ্র থেকে যে টাকা দেওয়া হয় তা এক বছর থেকে বন্ধ আছে। যার কারনে চিকিৎসা সেবা সহ অন্যান্য কার্যক্রমে সমস্যা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির যে ডাক্তার ছিলো তাদের টাকা না দেওয়ার কারনে চলে গেছে। জেলা সিভিল সার্জন একজন ডাক্তার দিয়েছেন প্রতি শনিবার এখন দেখেন প্রবীনদের৷

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ