• আইন ও আদালত

    পাকুরিয়া গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের ২টি বাড়ি ও ৭টি দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ

      প্রতিনিধি ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ , ৯:০৭:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ

    মোস্তফা প্রামানিক-সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ

    সিংড়ায় পাকুরিয়া গ্রামে সাবেক ইউপি মেম্বারের নেতৃত্বে তান্ডব, ৭ টি দোকান ও ২ টি বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট নাটোরের সিংড়ার ইটালি ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আলিফ এর নেতৃত্বে পাকুরিয়া গ্রামে ২টি বাড়ি ও ৭টি দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। একই সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের কর্মীদের মারপিট ও মেম্বারের অফিসঘর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।

    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল দুপুর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ভাড়া করে ট্রাক, টেম্পু যোগে সোমবার বিকাল ৪টায় পাকুরিয়া গ্রামে প্রবেশ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত তান্ডব চালায়। এসময় আতংকে মানুষ ছুটোছুটি করতে থাকে। ঘটনার সময় আহসান হাবিবের ইলেকট্রনিকস দোকান, হাসানের মনোহারি দোকান, ভুট্টোর চা দোকান, রানার হোটেল, ফরিদের চায়ের দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এবং টিপু ও আঃ আজিজের বাড়ি ভাংচুর করা হয়। বর্তমান মেম্বারের অফিস ভাংচুর করা হয়।

    জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় পাকুরিয়া জামে মসজিদের ইমাম নিয়োগ করে সাবেক ইউপি সদস্য গ্রুপ। সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়ি পার্শবর্তী হওয়ায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর ইসলাম আরিফ এর প্রভাবে ইমাম নিয়োগ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। সোমবার সকালে বর্তমান মেম্বার সহ কয়েকজন কে আসামী করে থানায় অভিযোগ করে সাবেক মেম্বার গ্রুপ।

    একই সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র দিয়ে মারপিট ও মেম্বারের অফিসঘর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক আরিফুর ইসলাম আরিফ এর বিরুদ্ধে। জাহাঙ্গীর আলমের পিতা নজরুল ইসলাম ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

    ইটালি ইউপি’র ১ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে জয়ের পর থেকে ইটালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর ইসলাম আরিফ তাকে পদত্যাগপত্র দিতে বলে, না হলে দেখে নেয়া হবে বলে হুমকি দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল তাঁর লোকজন তান্ডব চালিয়েছে।

    অভিযোগের ভিত্তিতে ইটালি ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর ইসলাম আরিফ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা সিংড়া থানার ওসি তদন্ত রফিকুল ইসলাম বলেন, ফোন পাওয়ার পরে ফোর্স পাঠানো হয়। ৯৯৯ থেকে কোনো ফোন আসেনি। স্থানীয় ভাবে ফোন পেয়ে ফোর্স পাঠানো হয়।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ