• আইন ও আদালত

    আত্রাই গিলে খাচ্ছে বালু ব্যবসায়ীরা,হুমকিতে বাঁধ

      প্রতিনিধি ১৩ মে ২০২৩ , ১১:১২:৫৭ প্রিন্ট সংস্করণ

    কাওছার হাবিব-স্টাফ রিপোর্টার:

    সবুজ গাছপালায় ঘেরা একটি বাগান। দূর থেকে দেখলে বোঝা যায় না নদীতীর সংলগ্ন এ বাগানের নিচ থেকেই ড্রেজার মেশিন বসিয়ে কেটে তোলা হচ্ছে বালু। এ চিত্র নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আত্রাই নদীর এলাকার। নদীর পূর্ব ও পশ্চিমে বিরামহীনভাবে চলছে বালু তোলার এ কর্মযজ্ঞ। এদিকে নদী থেকে বালু তোলার ইজারা নিয়ে নদীর বাঁধ ও বিভিন্ন জমির মাটি কেটে বালু উত্তোলনের কারনে ধসে যাচ্ছে ফসলি জমি ও গাছপালা।

    ভুক্তভোগীরা বলছেন, বিষয়টি বিভিন্ন দফতরে জানানো হলেও বালু ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়ায় মিলছে না কোনো প্রতিকার। নীতিমালায় আছে নদী থেকে বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে নদীর তীর সংলগ্ন বাঁধ অথবা আবাদি জমির মাটি কেটে তোলা যাবে না। কিন্ত এসব নীতিমালার তোয়াক্কা না করে গণহারে মাটি কেটে বালু তোলায় সামনের বর্ষা মৌসুমে নদীতীর এলাকা হুমকির মধ্যে পড়বে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

    ইয়াসিন মোল্লা নামে স্থানীয় একজন জানান, জেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দেয়া হয়েছ, কিন্ত কোনো কাজ হচ্ছে না। স্থানীয় কয়েক নারীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, চোখের সামনে তাদের বাগানের গাছপালা ভেঙে নদীতে ভেসে যাচ্ছে। দেখা ছাড়া তাদের আর কিছুই করার নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে সামনের বর্ষায় নিজেদের পায়ের তলায় মাটি থাকবে কি-না – এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তারা।

    তবে বালু ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রশাসনের কাছ থেকে লিজ নেয়া নদীর নির্ধারিত জায়গা থেকেই বালু তুলছেন তারা।
    জানা যায়, আবার নতুন করে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে চলা পুনর্ভবা, আত্রাই, ফকিন্নি, ছোট যমুনা ও গুড় নদীর ৬৫ মৌজার বালু বিক্রির দরপত্র আহ্বান করে জেলা প্রশাসন। মান্দা, মহাদেবপুর, আত্রাই বদলগাছী ধামুইরহাট ও পোরশায় এসব নদী থেকে বালু তোলার অনুমতি পায় ১১টি প্রতিষ্ঠান।

    এদিকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বালু তোলা হলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে থানা প্রশাসন। প্রশাসন কর্মকর্তারা বলেন, ‘আমরা অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবো।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ