• Uncategorized

    মতলব উত্তর মোহনপুরে  যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মিলাদ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

      প্রতিনিধি ৩ আগস্ট ২০২০ , ১১:১২:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ

    মো.তুহিন ফয়েজ:

    মতলব উত্তর মোহনপুরে  যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশিস্ট শিল্পপতি,সমাজসেবক ও আওয়ামীলীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমানের উদ্যােগে  স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস-২০২০ উপলক্ষে মিলাদ দোয়া ও আলোচনা সভা  যথাযোগ্য মর্যাদায়  অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    ২ আগস্ট রবিবার  দুপুরে মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই প্রধানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন হাওলাদারের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়ার  মাহফিলে  বক্তব্য রাখেন-  মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা,বিশিস্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক কাজী মিজানুর রহমান,উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য রাধেশ্যাম শাহা (চান্দু বাবু,)  আওয়ামীলীগ নেতা আহসান উল্লাহ হাসান, ওহেদুজ্জামান মিলন,কাজী ফজলুল কাদের  জীবন, উপজেলা যুবলীগ নেতা কাজী হাবিবুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা কাজী গোলাম হোসেন, দুলাল বেপারী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এডভোকেট মোঃ সেলিম মিয়া ৷

    মিলাদ দোয়া ও আলোচনা সভায় বিশিস্ট শিল্পপতি,সমাজসেবক ও আওয়ামীলীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান  বলেন, ‘অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার পর আমরা আজকের এই স্বাধীন দেশ পেয়েছি। বাঙ্গালীর মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জন্ম গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। শৈশব-কৈশরের অনেকটা সময় তার কেটেছে এই গ্রামে। হত্যার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সমাহিত করা হয় তুচ্ছ ও দায়সারাভাবে। ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট টুঙ্গিপাড়ায় তাকে দাফন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জানাজায়, লাখ-লাখ মানুষ হতো। কিন্তু কাউকেই সুযোগ দেওয়া হয় নাই। জানাজায় অংশ নিতে চাইলেও পারেনি গ্রামবাসী’।

    ‘৭৫ এর ১৬ আগস্ট দুপুরে বঙ্গবন্ধুর মরদেহ পৌঁছায় টুঙ্গিপাড়ায়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হেলিকপ্টার থেকে কফিন নামিয়ে ৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল করানো হয়’।

    ‘কাফন পড়ানো হয় রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে রোগীদের ব্যবহৃত কাপড়। হাজারো মানুষ ছুটে আসেন প্রিয় নেতার মুখটি একবার দেখার জন্যে। কিন্তু কাউকে কাছে যেতে দেয়নি সেনাসদস্যরা। এমনকি শেখ পরিবারের লোকজনকেও সেদিন থাকতে হয়েছিল আত্মগোপনে’।

    ‘জানাজা শেষে পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা শেখ সায়েরা খাতুনের কবরের পাশে সমাহিত করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। এতে অংশ নেন স্থানীয় ৩০/৩৫ জন মানুষ। সেনা ও পুলিশ হেফাজতে তড়িঘড়ি করে দাফন করা হয়। সেদিনের কথা বলতে গিয়ে সকলেই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন প্রিয় নেতার জন্য’।

     

    এসময় উপস্থিত ছিলেন-মোহনপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি এবাদুল হক মৃধা, শ্রমিক লীগের সভাপতি হেলাল সরকার, মোহনপুর ইউনিয়ন  কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি কাজী মাহবুবুর রহমান , আওয়ামীগ নেতা আবু হানিফ প্রধান, মোহনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির ,সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মতিউর রহমান মতিন, মোহনপুর ইউনিয়ন মহিলালীগের সভানেত্রী মানছুরা হাওলাদার , ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি , উজ্জল মৃধা, সাধারণ সম্পাদক কাজী  রুমান, ২ নংওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন,সাধারণ সম্পাদক শামীম সহ আওয়ামীলীগ ও অংঘ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ৷

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ