• Uncategorized

    ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতা ডিপ্লোমা প্যামেডিক্স চিকিৎসক পরিষদের উদ্যোগে নোয়াখালী জেলায় দিন ব্যাপি নানা কর্মসূচী পালন।

      প্রতিনিধি ১৮ আগস্ট ২০২০ , ৬:১৪:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ

    মোঃ শহিদুল ইসলাম-স্টাফ রিপোর্টারঃ

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমার এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস এ নোয়াখালী জেলার স্বাধীনতা ডিপ্লোমা প্যারামেডিক্স পরিষদের উদ্যোগে সারাদিন ব্যাপি নানা কর্মসূচী পালিত হয়। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ছিল শোক রেলী,  পূস্পস্বক অর্পন, ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং চেকআপ, আলোচনা সভা ও দোয়া।

    উক্ত কর্মসূচীতে উপস্হিত ছিলেন স্বাধীনতা ডিপ্লোমা প্যারামেডিকক্স চিকিৎসক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্যারামেডিক্স চিকিৎসক এম এ কাদের নোয়াখালী জেলার সভাপতি প্যারামেডিক্স চিকিৎসক এম ইউ সবুজ, সহ- সভাপতি প্যারামেডিক্স চিকিৎসক রিপন, সাধারন সম্পাদক প্যারামেডিক্স চিকিৎসক আহছান উল্লাহ হাসান, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক প্যারামেডিক্স চিকিৎসক মিজানুর রহমান ও অন্যন্য জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করার পরে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ  বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা। আমরা গভীর ভাবে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। যার জন্য আমরা এই দেশকে স্বাধীন করতে পেরেছি।

    তার ওই ঐতিহাসিক জ্বালাময়ী ভাষণের জন্য আমাদের এই দেশের মানুষ জাগ্রত হয়েছিল। যার কারণে আমরা ৩০ লক্ষ রক্তের বিনিময়ে এদেশকে স্বাধীন করতে পেরেছি। তারা বলেন, আমরা সবাই বঙ্গবন্ধু শেখমজিবুর রহমানের উত্তরসোরী হয়ে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব তাহলেই বঙ্গবন্ধুর আত্বার শান্তি হবে ৷

    ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু সহ যারা শহিদ হয়েছে তাদের প্রত্যেকের রুহের আত্বার মাগফিরাত কামনা করছি ৷ ‘অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার পর আমরা আজকের এই স্বাধীন দেশ পেয়েছি। বাঙ্গালীর মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জন্ম গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। শৈশব-কৈশরের অনেকটা সময় তার কেটেছে এই গ্রামে।

    হত্যার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সমাহিত করা হয় তুচ্ছ ও দায়সারাভাবে। ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট টুঙ্গিপাড়ায় তাকে দাফন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জানাজায়, লাখ-লাখ মানুষ হতো। কিন্তু কাউকেই সুযোগ দেওয়া হয় নাই।

    জানাজায় অংশ নিতে চাইলেও পারেনি গ্রামবাসী’। ‘৭৫ এর ১৬ আগস্ট দুপুরে বঙ্গবন্ধুর মরদেহ পৌঁছায় টুঙ্গিপাড়ায়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হেলিকপ্টার থেকে কফিন নামিয়ে ৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল করানো হয়’।

    ‘কাফন পড়ানো হয় রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে রোগীদের ব্যবহৃত কাপড়। হাজারো মানুষ ছুটে আসেন প্রিয় নেতার মুখটি একবার দেখার জন্যে। কিন্তু কাউকে কাছে যেতে দেয়নি সেনাসদস্যরা। এমনকি শেখ পরিবারের লোকজনকেও সেদিন থাকতে হয়েছিল আত্মগোপনে’।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ