• আন্তর্জাতিক

    ৬ নম্বর স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, স্বামীকে দিতে হবে ৬ হাজার কোটি টাকা

      প্রতিনিধি ২২ ডিসেম্বর ২০২১ , ৬:৪০:০৩ প্রিন্ট সংস্করণ

    আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

    বিশ্ব ইতিহাসে আরেকটি ব্যয়বহুল বিবাহবিচ্ছেদের সাক্ষী হলো বিশ্ব। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাখতুমের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়েছে। আর বিবাহবিচ্ছেদের কারণে তার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া স্ত্রী প্রিন্সেস হায়া বিনতে আল-হুসেইনকে ৬ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। খবর বিবিসির।

    বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত করে মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট জানিয়েছে, বিচ্ছেদের জন্য প্রিন্সেস হায়া বিনতে আল-হুসেইনকে সব মিলিয়ে ৫৫ কোটি পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ২১৫ কোটি টাকায়) পরিশোধ করতে হবে।
    এতেই শেষ নয়; লন্ডনে ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কেনসিংটন প্রাসাদের পাশের একটি বিলাসবহুল বাড়ি ও সারের এগ্যামের বাড়িটিও দিতে হবে হায়াকে।

    এর পাশাপাশি ‘নিরাপত্তা বাজেট’, ছুটি কাটানোর খরচ, একজন নার্স ও একজন আয়ার জন্য বেতন এবং বাসস্থানের খরচ, পরিবারের সদস্যদের জন্য সুরক্ষিত যান এবং ঘোড়াসহ পোষা প্রাণীর জন্য খরচ পাচ্ছেন রাজকুমারী হায়া। এ ছাড়া হায়ার ১৪ বছরের মেয়ে এবং ৯ বছরের ছেলে প্রত্যেককে বছরে ৭০ লাখ ডলার সুরক্ষিত অর্থ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালত থেকে।

    বিশ্ব ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিবাহবিচ্ছেদটি আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা ধনকুবের জেফ বেজোস ও স্ত্রী ম্যাকেনজির। ২০১৯ সালে সেই বিচ্ছেদের ঘটনায় জেফ বেজোসকে পরিশোধ করতে হয় প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।তবে আল মাকতুম ও প্রিন্সেস হায়ার বিচ্ছেদকে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিচ্ছেদ মামলা বলে উল্লেখ করেছে সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।

    ৪৭ বছর বয়সি প্রিন্সেস হায়া জর্দানের প্রয়াত বাদশাহ হোসেনের মেয়ে। দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাকতুমের ছয় স্ত্রীর মধ্যে সবার ছোট তিনি। বিচ্ছেদের শুনানিতে বিচারপতি মুর বলেন, ‘যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত প্রিন্সেস হায়া ও তাঁর সন্তানেরা ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাঁরা বাইরের কোনো উৎস থেকে নয়, বরং নিজেদের পরিবারের পক্ষ থেকে হুমকি পাচ্ছেন। এই মুহূর্তে তাঁদের কঠোর নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে।’

    প্রসঙ্গত, দুবাইয়ের ৭২ বছর বয়সি নেতা আল মাকতুমের সঙ্গে প্রিন্সেস হায়ার বিচ্ছেদ হয় ২০১৯ সালে। স্ত্রীর সঙ্গে এক ব্রিটিশ দেহরক্ষীর পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে বিশ্বাস করতেন আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী। পরে নিরাপত্তা শঙ্কায় দুই সন্তানকে নিয়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান প্রিন্সেস হায়া।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ