• জনপদ

    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা নাটোর বনপাড়া বাইলেন সড়ক চলাচলে চরম ভোগান্তি

      প্রতিনিধি ৯ অক্টোবর ২০২২ , ২:৫৫:৪১ প্রিন্ট সংস্করণ

    মোঃ লুৎফর রহমান লিটন-সিরাজগঞ্জ:

    উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোল চত্বর থেকে নাটোর বনপাড়া মহাসড়কের পাশ দিয়ে থ্রী হুইলারসহ ছোট ছোট যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে বাইলেন সড়ক দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রী সাধারণ। এতে ছোট ছোট যানগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। যার কারণে ঐ যানগুলো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়কে উঠে অবাধে চলাচল করছে। তাতে হাটিকুমরুল – বনপাড়া মহাসড়কে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    সরেজমিনে জানা যায়, হাটিকুমরুল – বনপাড়া মহাসড়কের পাশ দিয়ে বাইলেন সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ছোট ছোট যানগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। পিচঢালাই ও ইট পাথর উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সাথে এক পাশ থেকে প্রায় অর্ধেক ভেঙে ও ঝোপ ঝাড়ে রাস্তাটি একেবারে সরু হয়ে পড়েছে। এদিকে, হাইওয়ে থানার পাশেই হাটিকুমরুল গোল চত্বরে বাইলেন সড়কের প্রবেশ মুখ বন্ধ করে প্রতিদিন বিশাল মাছের আড়ত বসানো হয় এবং ছোট ছোট পিকাপ, সিএনজি, অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইন্জিন চালিত নসিমন, ভুটভুটিসহ বিভিন্ন ধরনের থ্রী হুইলারের পার্কিং করে রাখা হয়। যার কারণে এসব যানগুলো অবাধে মহাসড়কে উঠে চলাচল করছে।

    কথা হয় মহাসড়কে চলাচলরত ইন্জিন চালিত নসিমন চালক ইব্রাহিমের সাথে। তিনি বলেন, বাইলেন সড়ক খানাখন্দভরা। চলাচলের অযোগ্য, তাই মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছি। পুলিশ কিছু বলে না, এমন প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, তারা দেখলে তো হয়রানি করেই। আরও কথা হয়, মহাসড়কে চলাচলরত সিএনজি, অটোভ্যানসহ বিভিন্ন থ্রী হুইলার চালকদের সঙ্গে। অতি দ্রুত বাইলেন সড়কটি সংস্কার করা ও প্রবেশ মুখ উন্মুক্ত করার দাবী জানান ভুক্তভোগিরা।

    এ ব্যাপারে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম বদরুল কবির জানান, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। তারপরও আপনি যেহেতু বলছেন, অতি দ্রুতই রাস্তা বন্ধ করে অবৈধ গাড়ি পার্কিংদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে বাইলেন সড়কের প্রবেশ মুখ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

    এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো, দিদারুল আলম বাইলেন সড়কটি যান চলাচলের অযোগ্য স্বীকার করে বলেন, সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোল চত্বর থেকে নাটোর বনপাড়া মহাসড়কের পাশ দিয়ে সিরাজগঞ্জের সীমান্ত পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার বাইলেন সড়ক রয়েছে। গত অর্থ বছরে সীমান্ত থেকে ৮ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। বাকি ১৭ কিলোমিটার টেন্ডার হয়েছে এবং ঠিকাদারও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টি মৌসুম শেষ হলেই কাজ শুরু করা হবে।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ